lekha ta mone hoi sompourno noi
Zobayer bhai er maddhome ami Habib EMon er lekha tar puro ta attach 
file hishebe pele khob i khushi hobo
puro lekha ta attachment kore dile oneke i onekkichu jante parbe bole 
amar dharona.

Sumit Awal

--- In [email protected], ariful Zobayer <[EMAIL PROTECTED]> 
wrote:

হাবীব ইমন 
'মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক আমি 
তোমাদেরই লোক'
সম্মানিতজন,আগত অতিথিজন 
শুভেচ্ছা, প্রণাম আপনাদেরকে। 
প্রাথমিক, মাধ্যমিক 
শিক্ষাজীবনে পাঠ্যপুস্তকে 
ইতিহাসের পাতায় একটু-আধটু 
পড়েছিলাম আপনাদের প্রিয় 
নদীয়ার কথা, মনে রেখেছি নদীয়ার 
নাম। সেই নদীয়ায় আপনাদের মাঝে 
দাঁড়িয়েছি। ভারতবর্ষের 
স্বাধীনতা সংগ্রামে 
গৌরবদীপত নাম, শ্রীকৃষ্ণ, 
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, প্রমথ 
চৌধরী, 
কবি কৃত্তিবাসসহ অসংখ্য 
গুণীজন মানুষের জন্মস্থান 
নদীয়ায় আমি আসতে পেরে, উপস্থিত 
থাকতে পেরে অত্যন্ত মর্যাদার 
সাথে গৌরবান্বিত হচ্ছি। 
ধন্য হয়েছি, আমার মতো একজন 
সামান্য কবির হাতে আপনারা যে 
সম্মানের দন্ড তুলে দিলেন তা 
মাথা পেতে নিলাম। আমি চেষ্টা 
করবো এ 
সম্মান আজীবন অক্ষুন্ন রাখতে। 
রবীন্দ্রনাথের মতো আমি 
দৃপ্তকন্ঠে-দ্বিধাহীনভাবে 
উচ্চারণ করতে চাই, মোর নাম এই 
বলে খ্যাত হোক আমি 
তোমাদেরই লোক। 
ধন্যবাদ আপনাদেরকে। আমি জানি 
না এ আয়োজনের জন্য আমি কতটা 
যোগ্য হয়ে উঠেছি। নিজের 
সম্পর্কে আমার মূল্যায়ন কখনোই 
আমার 
কাছে সন্তোষজনক না, ভালো না। 
যোগ্যতার বিচারে অ্যাতো 
গুণীজনদের সমাবেশে আমাকে আমি 
বেমানান ভাবছি। অবশ্যই তা। ভয়à¦" 
লাগছে 
এখানে দাঁড়াতে। এ সংবর্ধনা 
আমাকে ভীষণরকম অনুপ্রাণিত 
করবে আগামি পথচলায়। আজকের এ 
দিনটি আমার অনেকদিন মনে থাকবে। 
আমার 
চেষ্টা থাকবে আপনাদের 
সম্মানের ধারাবাহিকতা বজায় 
রাখতে। আপনাদের কাছে আমার 
জন্যে আর্শিবাদ প্রত্যাশি। 
যোগাযোগে দূরত্ব-বিচ্ছিন্নতা 
থাকলেà¦" কল্পনায়, মনোগত দিক 
থেকে বিভাজন সম্মতি আমাদের 
কখনোই ছিল না। এ পশ্চিমবাংলার 
কৃতি সন্তান 
কবি কার্তিক মোদক, প্রিয় অগ্রজ 
কার্তিকদার সাথে আমার আন্তরিক 
যোগাযোগ তৈরি হয়েছে বেশ ক'বছর 
ধরে। এ যোগাযোগ কেবল কোনো 
ব্যক্তি সবিশেষে সীমাবদ্ধ নয়, 
একটি অঞ্চলà¦" ব্যক্তিমানসে 
পিছনে এসে যায়। সে অঞ্চলকে 
জানা- বোঝার তাগিদ অনুভূত হয়। 
আশারাখি 
আগামিতেà¦" আরো অনেকের সাথে 
যোগাযোগ তৈরি হবে। আমার এ সফর 
আপনাদের মতো গৌরবদীপ্ত 
সন্তানদের অচেনা জগতকে আরো 
বেশি 
চেনার ক্ষেত্র তৈরি করবে। 
আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ককে 
অনেকদূর নিয়ে যাবে। এ আয়োজন 
নিশ্চই একটি মৈত্রী সম্পর্ক 
তৈরিতে সহায়ক করবে। 
আমার বেড়ে à¦"ঠা যে শহর, 
বাংলাদেশের একটি 
দক্ষিণাঞ্চলের একটি আদি শহর। এ 
শহরকে আমি আমার 
প্রাণ-প্রাচুর্য্যের শহর বলি। 
সে শহরের 
নাম নোয়াখালী। এর আদি নাম 
ভুলুয়া। ত্রিপুরা রাজ্যের 
একটি অধুনালুপ্ত পরগনা 
ভুলুয়া। 
এ শহরের প্রমত্ত মেঘনা নদীর 
পাড়ে বসে একজন কবি তার জীবনকে 
দৃষ্টান্ত করেছেন বাংলাদেশ 
তথা, ভারতবর্ষের 
বাংলাসাহিত্যকে। তিনি 
কবি, বুদ্ধদেব বসু। সমপ্রতি 
তাঁর জন্মশত বর্ষ পেরিয়ে গেলো। 
শ্রদ্ধা জানাই এ কবিকে। 
ভারতবর্ষের বাম আন্দোলনের 
প্রবক্তা কমরেড 
মুজাফফর আহমেদের জন্মস্থান এ 
নোয়াখালী। 
১৯৪৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে 
সামপ্রদায়িক দাঙ্গার রেশ পড়ে 
নোয়াখালী জেলায়। হিন্দু 
সমপ্রদায়ের à¦"পর অমানবিক 
নির্যাতন চলে। মহাত্মাগান্ধী 
এই 
নোয়াখালীতে দীর্ঘদিন অবস্থান 
করেন। তাঁর ঐতিহাসিক 
অহিংসনীতি প্রচার করেন। 
শান্তি স্থাপনে সর্মথ হোন। 
মহাত্মাগান্ধী এই স্মৃতিধন্য 
নোয়াখালীতে আজ ভারত-বাংলাদেশ 
সরকারের যৌথ পরিচালনায় 
মহীরুহ হিসেবে গড়ে à¦"ঠেছে 
গান্ধী আশ্রম ট্রাষ্ট। তারই 
পরিচালনায় স্থাাপিত 
হয়েছে গান্ধী স্মৃতি জাদুঘর। 
আপনাদেরকে স্বাগত জানাই আমার 
জন্মভূমি নোয়াখালীতে। 

Reply via email to